চিঠির ভেতরে কাঁদে যে মানুষটা
প্রতিদিন সকালে গ্রামের পুরনো পাকা রাস্তা দিয়ে একটা সাইকেল ধীরে ধীরে চলে যায়। তার গায়ে কালচে পাঞ্জাবি, চোখে ঘোলা চশমা, পিঠে ধূসর এক খালি ব্যাগ।
প্রতিদিন সকালে গ্রামের পুরনো পাকা রাস্তা দিয়ে একটা সাইকেল ধীরে ধীরে চলে যায়। তার গায়ে কালচে পাঞ্জাবি, চোখে ঘোলা চশমা, পিঠে ধূসর এক খালি ব্যাগ।
গ্রামের একেবারে শেষ মাথায় মাটির ছোট্ট একটা ঘরে বাস করেন রহিম মিয়া। বয়স ত্রিশের কোঠায়, পেশায় দিনমজুর
বাংলাদেশের উত্তরে ছোট্ট একটি গ্রাম, মাটিডাঙ্গা। সারা বিশ্বে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে, যে ছোঁয়ার বাদ যায়নি বাংলার কোনো গ্রাম।
বাইরে বৃষ্টি পড়ছে। না, ঝুম নয়, টুপটাপ মাটিতে, পাতায়, টিনের চালায় নেমে আসছিলো এক ধরনের শান্তি হয়ে
আমরা মা ছেলের ছোট পরিবার। বাপের পরনারী আসক্তির কারণে আমি যখন টুতে পড়ি তখন রাগ করে আম্মা আমাকে সাথে নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। বাংলা সিনামার শাবানার মতো সেলাই মেশিন চালায়ে উনি আমাকে বড় করেছেন।
গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে তাড়াহুড়ো করে রিকশায় উঠেই বুঝলাম রিকশা চালক আমার বাবা