বন্ধুত্ব
আজ বহুদিন বহুবছর পর নিশা একা। নিশার ঠিকানা নোভোটেল ব্যাঙ্গালোর। আবার অনেকটা সময় পর কলম ধরেছে নিশা কিছু লিখবে বলে । আজকের জীবনে নিশা যা করছে সে জানেই না সে ঠিক করছে না ভুল করছে।
আজ বহুদিন বহুবছর পর নিশা একা। নিশার ঠিকানা নোভোটেল ব্যাঙ্গালোর। আবার অনেকটা সময় পর কলম ধরেছে নিশা কিছু লিখবে বলে । আজকের জীবনে নিশা যা করছে সে জানেই না সে ঠিক করছে না ভুল করছে।
মেঘ আর আরিয়ান এখন নতুন ভাড়া করা ছোট্ট একটা ঘরে থাকে।ছোট রান্নাঘর, এক রুম, একটা বারান্দা। কিন্তু শান্তি আছে।আর সেই শান্তিটুকুর নাম— ভালোবাসা”। মেঘ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে আরিয়ান রান্না করছে।
সকালে মেঘ আয়নায় নিজের মুখ দেখে।চোখে ক্লান্তি, চুল এলোমেলো, মুখ শুকনো।নিজেরই মুখে নিজেকে জিজ্ঞেস করে,তুই তো ঘৃণা করিস আরিয়ানকে, তাই তো?
রাতে মেঘকে রক্ষা করার ঘটনার ঠিক পরদিনই থানায় এক অভিযোগ যায়—আরিয়ান এক লোককে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।মৃত নয়, কিন্তু আশঙ্কাজনক।
শহরের বড়লোক বাবার একমাত্র ছেলে আরিয়ান কয়েকদিনের জন্য গ্রামে এসেছে।নেশা, দেহলোভ আর উদ্দাম জীবনে অভ্যস্ত এই ছেলেটা সব সময় মদে ভাসে।
ঘড়ির কাঁটা সকাল ৮টা ছুঁইছুঁই।আবির অফিস যাওয়ার জন্য ব্যাগ গোছাচ্ছে, আর মিথিলা এক কাপ চা নিয়ে তার সামনে দাঁড়িয়ে।চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে হঠাৎ মিথিলা বলল, তুমি আমাকে না ভালোবাসলে কি হতো?
বৃহস্পতিবারের সকাল।আজ অফিসে একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রেজেন্টেশন। মূলত আবির রহমান নিজে উপস্থিত থাকবেন, এবং ক্লায়েন্টদের সামনে নতুন একটি পরিকল্পনার খসড়া তুলে ধরা হবে
রাত তখন প্রায় তিনটা।ঘরের সবকিছু অন্ধকার, নিঃস্তব্ধ, শুধু ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দটা শোনা যাচ্ছে।আমি চুপচাপ বিছানায় শুয়ে, তাকিয়ে আছি সিলিংয়ের দিকে।
বাসর রাতে আমার স্বামী, আমার পেটে লা*থি দিয়ে বিছানা থেকে পেলে দেয়।
চিরকুটে লেখা আরিয়ানের প্রশ্ন—তুমি কি আবার আমার স্ত্রী হতে পারো?আরফা উত্তরে কিছুই বলেনি, শুধু চুপ করে হাসছিল।কিন্তু সেই চুপচাপ হাসির মধ্যে ছিল একটা জবাব,একটা আশা,একটা ভাঙা হৃদয়ের ছোট্ট জোড়া লাগানো চেষ্টা।