হানাবাড়ি (পর্ব ৬ এবং অন্তিম পর্ব)
আমার মুখ ঢেকে ফেলা হয়েছে একটা কালো কাপড় দিয়ে। আমার হৃৎপিণ্ড ধকধক করছে জোরে জোরে। তবে কি সত্যিই আমাকে বলি দিয়ে দিবে এই পশুগুলো? সেই মেয়েটাকেও আর দেখতে পাচ্ছি না। তার কোনো আওয়াজও শুনতে পাচ্ছি না।
আমার মুখ ঢেকে ফেলা হয়েছে একটা কালো কাপড় দিয়ে। আমার হৃৎপিণ্ড ধকধক করছে জোরে জোরে। তবে কি সত্যিই আমাকে বলি দিয়ে দিবে এই পশুগুলো? সেই মেয়েটাকেও আর দেখতে পাচ্ছি না। তার কোনো আওয়াজও শুনতে পাচ্ছি না।
সারাঘরে সুনসান নীরবতা। ঘটনার আকস্মিকতায় আমি জ্ঞান হারিয়েছিলাম। কতোক্ষণ পর আমার জ্ঞান ফেরে আমি জানিনা। কিন্তু যখন আমি জেগে উঠি আমি নিজেকে একটা অন্ধকার ঘরে হাত বাঁধা অবস্থায় পাই
আমাকে ঘিরে পি’শাচের মতো দেখতে মানুষগুলো দাঁড়িয়ে আছে সবাই। নারকীয় এক নিস্তব্ধতা সারা ঘর জুড়ে। সবার দৃষ্টি একরকম। সেই চাহনিতে না আছে কোনো রাগ না আছে কোনো ভালোবাসা।
আমাদের পাশের কোয়ার্টারটায় এতো মানুষ থাকে? এটা আগে তো কখনো বুঝিনি আমরা। দলে দলে মানুষ আসছে ও বাড়ি থেকে। আর সকলের পোষাকই একই ধরণের
সাতটা বিড়াল, হ্যা গুনে গুনে সাতটা বিড়ালের মৃ*তদেহ। কিন্তু ঠিক স্বাভাবিক না মৃ*তদেহগুলো।কেউ যেনো বিড়ালগুলোর দেহ থেকে মস্তক আর লেজ ছিঁড়ে র*ক্ত সবটুকু শুষে নিয়েছে। একদম ফ্যাকাশে হয়ে আছে মৃতদেহগুলো। কে করতে পারে এই অমানবিক নিষ্ঠুর কাজ?
আব্বার বদলির সুবাদে এই মফস্বল শহরটায় আমরা এসেছি দিন তিনেক হলো। জায়গাটা খারাপ না। তিনদিনে যা মনে হয়েছে এলাকার লোকগুলোও বেশ ভালো। আমি অবশ্য এখানে বেশিদিন থাকবো না।
সাতদিনের মধ্যে মিলির সাথে আমার বিয়ে হয়ে গেলো। মিলিকে নিয়ে উঠলাম আমার একরুমের ছোট্ট বাসায়। বাসর রাতে মিলি আমাকে বলল, আপনি আমাকে বিয়ে করলেন, আপনার ভয় নাই?
আমার ওয়াইফ মিলিকে আজকাল আমার একটু ভয় ভয় লাগে। এই ভয় আগে ছিলো না। নতুন হয়েছে। বিয়ের আগেও শুনেছিলাম মিলির ওপর জ্বীনের আছর আছে।
আকর্ষণীয় ফিগারের কাউকে খুঁজছি আমি মনে-প্রানে। চাইলে আপনাদেরও মাপগুলো জানিয়ে দিতে পারি, উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি আর শরীরের মাপ হতে হবে ৩৪-২৪-৩৬।
ঘুম থেকে উঠার পর আমার অবস্থা হল সিজফ্রেনিয়া রুগীর মত।রাতে কি হয়েছিল কিছুই মনে করতে পারছি না কিন্তু বুকের ভেতরটা অজানা আতঙ্কে দুরুদুরু কাঁপছে।ঘুম যখন ভাঙল তখন সকাল গড়িয়ে দুপুর।