দীর্ঘতম রাত (দ্বিতীয় ও শেষ পর্ব)
লিফটের ভিতর ঘুটঘুটে অন্ধকার। মনে হলো কেউ একজন লিফটে আছে। স্পষ্ট নিঃশ্বাসের শব্দ শুনলাম। কিন্তু লিফটে ঢোকার সময় তো কাউকে দেখেছি মনে পড়ছে না। আমি মোবাইলের আলো জ্বালালাম, লিফট খালি, কেউ নেই
লিফটের ভিতর ঘুটঘুটে অন্ধকার। মনে হলো কেউ একজন লিফটে আছে। স্পষ্ট নিঃশ্বাসের শব্দ শুনলাম। কিন্তু লিফটে ঢোকার সময় তো কাউকে দেখেছি মনে পড়ছে না। আমি মোবাইলের আলো জ্বালালাম, লিফট খালি, কেউ নেই
–আজ ২১ শে ডিসেম্বর? ওহ হো খেয়াল ছিল না। বাসায় যাই। তপু তুমিও চলে যাও বাসায়। আজ রাতে ফ্ল্যাট থেকে বের হবে না। রাজন ভাইয়ের কথায় আমি একটু অবাক হলাম। ২১ শে ডিসেম্বর এর মাহাত্ম্য কি? মনে পড়ল আজ আমাদের কর্কটক্রান্তীয় অঞ্চলে সবচেয়ে দীর্ঘ রাত্রি।
আমি বুড়ী দাদীকে মলম লাগিয়ে দিচ্ছিলাম দাদীও পাসে বসা ছিলো, মেজো আপু এসে আমাদের কাছে বসল। একটু আমতা আমতা করেই সবার উদ্দেশ্য বলল, — মানুষ কি কখনো জীবন্ত সাপ খায়!??
আপুর মৃত্যুর কয়েক মাস আগের ঘটনা, কলেজে কি এক রাজনৈতিক ঝামেলার জন্য সব শিক্ষার্থীরা হল ছেড়ে বাসায় চলে আসছিলো। বড় আপুও চলে আসে। মা খুব অসুস্থ থাকায় মেজ আপু আর আমিও চলে আসি। আমরা তিন বোন একই ইউনিভার্সিটি কলেজের সিনিয়র জুনিয়র ছিলাম।
বড় আপুর মৃত্যুটা হয়েছিলো খুব রহস্য জনক ভাবে! বাবার জোরাজোরি তে যদি ময়নাতদন্ত করা না হতো তাহলে এই রহস্যের সামান্য পরিমাণও আমরা জানতে পারতামনা।
২০১৮ সাল আমি তখন ক্লাস নাইনে পড়তাম। সে সময়ে আমার সাথে একটা ভয়ংকর ঘটনা ঘটে। একদিন আমি রাতে একা বাসায় বসে টিভি দেখছিলাম।কোন বিশেষ কারণে আমার আম্মু আব্বু আমার নানা বাড়িতে গিয়েছিল।
এটা দেখে লােকটি চিৎকার দিয়ে অজ্ঞান হয়ে যায়। আর সেই রিকশাওয়ালা এক চিৎকার দিয়ে সেখান থেকে দৌড়ে চলে যায় আর এক বাড়ির সামনে গিয়ে পরে। তার কথা শুনে লােকজন সেখানে যায়।