July 26, 2025

আঙ্গুল (পর্ব ২-শেষ পর্ব )

শ্যামল নিজের আঙুল নিজেই খাচ্ছে। ঠোঁট থেকে রক্ত ঝরছে। হাড় চাবানোর কচকচ বিশ্রী রকমের শব্দ আসছে তার মুখ থেকে। সেই সাথে ভেসে আসছে একটা অসহনীয় পঁচা দূর্গন্ধ। রানু বিশ্বাস করতে পারছে না এমন কিছু সত্যই তার সামনে ঘটছে।ও এটা ভেবে অবাক হলো

আরও পড়ুন »

আঙ্গুল(পর্ব ১)

রানু গভীর রাতে একা একা বাড়ির পেছনের গোরস্থানে এসে দাঁড়ায়। আজ যদি একটু ভয় পাওয়া যায়, এই আশা নিয়ে সে গোরস্থানে এসেছে। রানু ভুত বিশ্বাস করে না। এতটুকুও না।

আরও পড়ুন »

ছায়াবাজী

শুরু থেকে শুরু করি। যখন আমি চতুর্থ শ্রেণিতে পড়তাম, তখন টাঙ্গাইল আর্মি ক্যান্টনমেন্টে ছিলাম। ওখানে ভিতরে একটা বিশাল বটগাছ ছিল, যা যুদ্ধের অনেক আগে থেকেই ছিল। তা ছাড়া ঘরগুলোও অনেক পুরনো ছিল, পাকিস্তান আমলেরও আগের।

আরও পড়ুন »

অভিশাপ

আড্ডা জমে গেছে। ভেতর ঘর থেকে ঘনঘন চা আসছে। আমরা বসে আছি সোবহান সাহেবের বসার ঘরে। ভদ্রলোক আমাদের অফিসের ক্যাশিয়ার। সারাক্ষণ হৈ-হুল্লোড় করা লোক। স্ত্রী এবং দুই কন্যা নিয়ে মগবাজার ওয়্যারলেসে একটা দুই বেডরুমের বাসায় থাকেন।

আরও পড়ুন »

চাতক চোখেরা (তৃতীয় এবং শেষ পর্ব)

সম্ভবত গভীর রাত, আমার হাত পা সবই বাঁধা একটা শক্ত চেয়ারের সাথে। চোখ দুটোও মোটা কাপড়ে বাঁধা। দুই রকম শব্দ পাচ্ছি, কিন্তু খুব মৃদু ভাবে। চারদিক এত শান্ত, নিরব যে ওই সামান্য খসখস বা মৃদু নিঃশ্বাসের শব্দ আমার কানে হাতুড়ি পেটার মত ধরা পড়ছে।

আরও পড়ুন »

চাতক চোখেরা (দ্বিতীয় পর্ব)

“আজ রাতের ট্রেনে উঠলে কাল পৌছে যেতে পারব। দিনের বেলায় খোঁজ করলে নিশ্চয়ই একটা হদীস পাওয়া যাবে বাড়িটার।” ভর দুপুরে ক্যাম্পাস খানিকটা ফাঁকা থাকে, আকাশে আজ অনেকটা মেঘ তাই চিটচিটে গরমটা কম। রিকশা না নিয়ে হাঁটছি দুজনে।

আরও পড়ুন »

চাতক চোখেরা (পর্ব ১)

আজ নিয়ে টানা তিনদিন, চরম অস্বস্তিকর অনুভুতিটা আমাকে ঘিরে ধরে আছে। আমার বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক আব্দুস সালাম স্যারের দেয়া এসাইনমেন্ট যখন বুঝে নিলাম, তখন থেকেই এটা অবশ্যম্ভাবী ছিলো, তবে মনের কোনে আশাও ছিলো, আমার ক্ষেত্রে হয়তো এটা হবেনা।

আরও পড়ুন »
সাম্প্রতিক গল্প