তিনটি ভৌতিক গল্প
দরজার দিকে দৌড়ে গেল মিলি। দরজা খোলার চেষ্টা করলো, কিন্তু খুললো না দরজা। এসময়ই ওর পিছে কেমন একটা অদ্ভুত ভয়ঙকর গর্জন শুনতে পেলো। ভয়ে ভয়ে পেছনে তাকালো ও।
দরজার দিকে দৌড়ে গেল মিলি। দরজা খোলার চেষ্টা করলো, কিন্তু খুললো না দরজা। এসময়ই ওর পিছে কেমন একটা অদ্ভুত ভয়ঙকর গর্জন শুনতে পেলো। ভয়ে ভয়ে পেছনে তাকালো ও।
শফিকের কেমন অদ্ভুত অনুভুতি হচ্ছিল। এই পাথরের শো পিস তার কাছে শায়লাকে ফিরিয়ে আনবে ভাবতেই তার অবিশ্বাস্য লাগছে। লোকটা তাকে বোকা পেয়ে ভুংভাং বুঝিয়ে চলে গেল না তো? কিন্তু লোকটার স্বার্থ কি? টাকা পয়সা তো নিলনা কিছু
শফিক আত্মহত্যা করতে হাতিরঝিল এসেছে। সন্ধ্যা নাগাদ কাজ শেষ হয়ে যাবে ভেবেছিল কিন্তু সুবিধা করা যাচ্ছে না তেমন।
প্রতিবেশীর কথায় সেদিন একটু অবাক হয়েছিলাম।মহিলাটি দেখতে সুন্দর হলেও তার জিহ্বা কদাকার কালো। আমার শয়নকক্ষের বাতায়ন খুলে তাকালেই মহিলাটির বেলকনি দেখতে পাওয়া যায়। অথচ আসার পর থেকেই দেখছি তার বাড়ির প্রতিটি দরজা জানালা বন্ধ।
১। সালটা ২০১০। বিয়ে করি আমি। আমরা দুইজনেই মধ্যবিত্ত পরিবারের। আমি একটি রংয়ের ফ্যাক্টরিতে কাজ করি। বিয়েটা হুট করেই করে ফেলেছি। বাবা-মা ছাড়া এতিমখানায় বড় হয়েছি। শুনেছি আমার মা-বাবা দু’জনেই বেঁচে আছেন। আমার যখন ৭ মাস বয়স, তখন মা-ই আমাকে এতিমখানায় রেখে যায়! এর চেয়ে বেশি কিছু কখনো জানতে পারিনি
রুপমদের পাশের ফ্ল্যাটে নতুন ভাড়াটিয়া এসেছে । সকাল থেকেই পাশের ফ্ল্যাট থেকে নানারকম শব্দ আসছে । ফ্ল্যাটটা খালি পড়েছিল গত একমাস ধরে। হেনা বললো, ‘ ভালোই হলো, এখন আর আমাদের ফ্লোরটা খালিখালি লাগবে না। চলো আজ বিকালে দেখা করে আসি ওদের সাথে।’
গ্রামটা অদ্ভুত রকম রহস্যময়। এটার প্রকৃত নাম বিলগাঁও হলেও এই অঞ্চলের সব মানুষ এটিকে মরা গ্রাম হিসেবেই চেনে। গ্রামের ৭৫ শতাংশ জায়গা জুড়েই রয়েছে একটা মুসলমানদের ও আরেকটা ক্রিস্টানদের গোরস্থান।
আমার বাসা সোনারগাঁও, এলাকার নাম কালা দর্গা। আমাদের এলাকায় অনেক মাজার শরীফ আছে। প্রতি বছর দূর-দূরান্ত থেকে অনেক লোক আসে এই মাজার শরীফ পরিদর্শন করার জন্য।
আমরা অত্যন্ত ধার্মিক ফ্যামিলির সন্তান। আমার আব্বু একজন আলেম, তিনি উনার জীবনে অনেক প্যারানরমাল এক্টিভিটি দেখেছেন। বেশ কয়েকবার জ্বীনে ধরা রোগীকেও ভালো করেছেন। এক কথায়, উনার এসব বিষয়ে অনেক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা রয়েছে।
আসসালামু আলাইকুম। আমি জারিয়াত মানহা। আচ্ছা, আপনারা জ্বিন বিশ্বাস করেন? হয়তো অনেকেই করেন। আমি বিশ্বাস করতাম মোটামুটি ভাবে, কিন্তু যদি আপনার সামনেই কেউ জ্বিন দ্বারা আক্রান্ত হয়ে শেষ হতে থাকে, তখন তো আপনি বিশ্বাস করবেন?