ভুল পর্ব / ২
আমার স্ত্রী মাইশা বেলকনিতে দাড়িয়ে কারো সাথে হাসতে হাসতে কথা বলতেছিলো। যা আমার একদম সহ্য হয় নি। তাই মাইশাকে গিয়ে বললাম কার সাথে কথা বলছো তাও আবার এতো সকালে।
আমার স্ত্রী মাইশা বেলকনিতে দাড়িয়ে কারো সাথে হাসতে হাসতে কথা বলতেছিলো। যা আমার একদম সহ্য হয় নি। তাই মাইশাকে গিয়ে বললাম কার সাথে কথা বলছো তাও আবার এতো সকালে।
আমি বসে বসে ল্যাপটবে অফিসের কাজ করছি। আর আমার স্ত্রী মাইশা আয়নার সামনে বসে সাজুগুজু করছে। মেয়েরা পারেও ভাই। একটু পরে দুজনে শুইতে যার আর ও সাজুগুজু করছে।
জ্বীনহুজুর শুনছেন? এখানে গোসল করার জায়গা কোনটা? গোসলখানার মতো কোনোকিছুই তো চোখে পড়ছে না। ” মায়ার কথায় পেছন ঘুরে তাকালো মুহিব। এতক্ষন সামনে থাকা ঝর্ণার দিকে চেয়ে ছিলো ও।
বন্ধঘরে ডুকরে ডুকরে কেঁদে উঠছে মায়া। ব্যাথায় সারা শরীর অবশ হয়ে আসছে। কিছুক্ষন আগে মুহিব এসে মায়াকে বে*ল্ট দিয়ে বে*ধ*রম পি*টিয়েছে। যার ফল ভোগ করছে মায়া। অথচ কস্মিনকালেও মুহিব এটা কল্পনা করতে পারেনা।
মুহিব সাদিয়ার কপাল থেকে নিজের হাত দিয়ে ঘাম মুছে দিলো। তারপর ওর কপালে নিজের ঠোট গভীর ভাবে ছোঁয়ালো। মুহিবকে কাছে আসতে দেখে সাদিয়া চট করে দূরে সরে যায়। মুহিব সাদিয়ার কোলে মাথা রাখে।
বাসর রাতে একহাত ঘোমটা দিয়ে বউ বরের জন্য অপেক্ষা করবে, বর ঘরে আসলে উঠে গিয়ে সালাম করবে, একসাথে নামায পড়তে হবে এগুলো নাকি নিয়ম। অথচ সাদিয়া এখন কোনোটাই করতে পারবে না। কথাটা ভাবতেই কেঁদে ওঠে সাদিয়া
সারা শরীরজুরে শিরশির অনুভূতিতে কেঁপে উঠলো সাদিয়া। গলায়, পেটে, হাটুর কিছুটা উপরে কারোর শীতল হাতের ঠান্ডা স্পর্শে নড়ে উঠলো ও। চোখ দুটো যেন খুলতে নারাজ। সাদিয়ার হাত ক্রোমশ উচু হতে শুরু করে। সাদিয়া অনুভব করছে কারোর শীতল মুখশ্রী। হাতে খোচা খোচা দাড়ি ফুটছে
পরের দিনও আরিফ অফিসে যায় না। সে দীর্ঘ একটা প্ল্যান করেছে, নয়নকে এই বিষয়ে শিক্ষা দেওয়ার জন্য। নয়ন যেই কলেজে পড়ে, ঠিক সেই কলেজের কাছাকাছি একটা পুরাতন জমিদার বাড়ি আছে। জায়গাটা সব সময়েই নির্জন থাকে। আরিফ, নয় দুপুর ১টায় কলেজ ছুটি হলে নয়ন কলেজ থেকে বেরিয়ে গেটের কাছে মামাকে দেখে বেশ অবাক হয়।
আচ্ছা বাবা, তোমরা যেইটা দিয়ে পিশাব করো, ঐটা মুখে নিলে কী হয়? নিজের ৬ বছর বয়সের বাচ্চা মেয়েটার মুখে এই প্রশ্নটা শুনে আরিফ পুরো থতমত খেয়ে গেল। রিতু এতক্ষন ধরে চিপস খাচ্ছিল আর টিভিতে কার্টুন দেখছিল। হঠাৎই টিভি থেকে চোখ সরিয়ে আরিফের দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটা করে সে
মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে দীপ্তি আর রিসাদ। এতোবছর পর দীপ্তি রিসাদকে দেখে মুহূর্তে নিজের সব রাগ অভিমান ভুলে জরিয়ে ধরে। ওর যে বয়স হয়েছে, চুলে পাক ধরেছে, পাশে মেয়ে দাড়িয়ে আছে তা যেন ভুলেই গেছে।