সুখ পর্ব ০৩
দুুটি মানুষের ভালোবাসার সম্পর্কের সবচেয়ে বড় খুঁটি হল বিশ্বাস। এই খুঁটি যেমন মজবুত হয় তেমনই নাজুক হয়। সম্পর্কের বাকি খুঁটি যেমন রাগ অভিমান সহজের দূর করা যায়। কিন্তু বিশ্বাস, বিশ্বাস একবার ভেঙে গেলে তা দ্বিতীয় বার আর গড়ে না বা গড়া যায় না।
দুুটি মানুষের ভালোবাসার সম্পর্কের সবচেয়ে বড় খুঁটি হল বিশ্বাস। এই খুঁটি যেমন মজবুত হয় তেমনই নাজুক হয়। সম্পর্কের বাকি খুঁটি যেমন রাগ অভিমান সহজের দূর করা যায়। কিন্তু বিশ্বাস, বিশ্বাস একবার ভেঙে গেলে তা দ্বিতীয় বার আর গড়ে না বা গড়া যায় না।
অনবরত ফোন দিয়ে যাচ্ছে রিসাদ। অফিসের সামনে দাড়িয়ে আছে এই অপেক্ষায় যে কখন দীপ্তি অফিসে আসবে। দীপ্তি আদৌও আসবে কিনা তা নিয়েও বেশ সংশয়ে আছে ও। কারন দীপ্তি স্বাধীনচেতা মেয়ে
এক হাতে প্রেগন্যান্সির পজিটিভ রিপোর্ট আর অন্য হাতে ডিভোর্স পেপার নিয়ে বসে আছে দীপ্তি। কিছুক্ষণ আগেই দুটো পেয়েছে। রিপোর্টটা হাতে নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় খুব হাসিখুশি ছিল দীপ্তি, ভেবেছিল এবার হয়ত সবটা আগের মতো হয়ে যাবে।
আমার নাম শাকিল। আমি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া গ্রামের বাসিন্দা। আমাদের পরিবার বেশ পুরোনো, সুখ-শান্তিতেই চলছিল, কিন্তু কয়েক মাস ধরে এক অদ্ভুত অশান্তি আমাদের ঘিরে ধরেছিল
মেঘা আমাকে দেখে চিৎকার করে উঠলো, ‘ভাবি, এ কি হয়েছে আপনার?’ মেঘার চিৎকার করাই স্বাভাবিক। সারারাত ঘুমাইনি। চোখ টকটকে লাল। মুখটাও মলিন, আলুথালু বেশ। এ অবস্থাতেই রান্নাঘরে ঢুকেছি। কালকে রাতের নতুন চকচকে বউকে আজ সকালে এই অবস্থায় দেখলে আমি নিজেই চিৎকার করে উঠতাম।
আমার বিয়ের রাতে আমার বর একটা তাবিজ গিফট দিলো। আমি অবাক হয়ে বললাম, ‘এটা কি?’ আমার বর সাজু খানিকটা লজ্জা পেয়েই বললো, ‘তাবিজ।’ ‘সেটা তো বুঝতেই পারছি। কিন্তু এটা কেন?’
মিতুটা এমনই ছিলো। বান্ধবী রুবাকে ভয় দেখাতে মাঝরাতে ওর রুমের বাইরে এসে জানালায় নক করতো ঠকঠক করে। তখন কেমন বিরক্তই না লাগতো রুবার। অথচ আজ খারাপ লাগছে। তিনদিন আগে মারা গেছে মিতু।
জালালুদ্দিন মাতবর আর রশিদ বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে আছে ডোবাটার দিকে। এই জঙ্গলের ভেতরে এমন অদ্ভুত একটা ডোবা থাকতে পারে তা কেউ কল্পনাও করতে পারবে না। ডোবাটাকে ঘিরে আছে উঁচু ঝোপ আর ঘন গাছের সারি। তাই পথ থেকে দেখে কেউ বুঝতেই পারবে না ওগুলোর পরে একটা ডোবা আছে।
রশিদ আর জালালুদ্দিন মাতবর ঘন অন্ধকারের মধ্যেও সাঁতরে এক জায়গায় পৌঁছালেন পানির মধ্যে। রশিদ হাঁপাতে হাঁপাতে জিজ্ঞেস করলো, ‘হচ্ছেটা কী এসব? মাতবরও হাপাচ্ছেন, ‘পিশাচটা ভ্রম সৃষ্টি করে তোমাকে হত্যার জন্যই এখানে নিয়ে এসেছে মনে হচ্ছে। কিন্তু আমাকে পিশাচ শক্তি এখানে নিয়ে এসেছে নাকি কোনো শুভ শক্তি তোমাকে বাঁচাতে ভ্রম সৃষ্টি করে আমাকে এখানে এনেছে বুঝতে পারছি না।’
জালালুদ্দিন মাতবর বিস্ময় নিয়েই রশিদের পিছু নিয়েছিলেন। এতরাতে কোথায় চলেছে ছেলেটা তার রক্ষা কবজগুলো খুলে! চাঁদের মিহি আলো, মধ্যরাতের স্নিগ্ধ বাতাস, গাছ ঢাকা এই পথ শুন-শান নীরবতার মধ্যে দিয়েও যেন এক আতঙ্কের আভাস দিচ্ছে