অভিশপ্ত ঘড়ি
কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উঠে একপাশে টিনের ছাঁদে ঢাকা বারান্দা, অন্যদিকে ঘর — ভিতরে একটা খাট, কাঠের আলমারি, এক কোণে ধুলোপড়া ট্রাঙ্ক, আর উত্তর দেওয়ালে টাঙানো একখানা প্রাচীন দেয়ালঘড়ি।
কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উঠে একপাশে টিনের ছাঁদে ঢাকা বারান্দা, অন্যদিকে ঘর — ভিতরে একটা খাট, কাঠের আলমারি, এক কোণে ধুলোপড়া ট্রাঙ্ক, আর উত্তর দেওয়ালে টাঙানো একখানা প্রাচীন দেয়ালঘড়ি।
কিন্তু সেই রাতে সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল এক লোক — নির্মল ঘোষ, বয়স আনুমানিক পঁয়তাল্লিশ। চোখে ক্লান্তি, মুখে বিষাদ। কাঁধে ব্যাগ, হাতে একটা পুরনো রেল টিকিট
এই গল্প আমি লিখছি কারণ আমি জানি, কেউ বিশ্বাস করবে না। কিন্তু আমি চাই না কেউ আমার পথ অনুসরণ করুক। চাই না কেউ সেই একই ভুল করুক…
তিনতলার উপর, ছোট্ট ছাদের ঘর, সিঁড়িঘর পেরিয়ে সোজা একটা রেলিং ঘেরা টালির ছাদ, আর তার এক কোণে একটা অদ্ভুত মোটা দেওয়াল — বাকি ঘরগুলোর তুলনায় আলাদা।
আমার নাম অনিক। আমার পেশা হলো অ্যান্টিক জিনিসের খোঁজ করা। পুরনো বাড়ি, ভাঙাচোরা হাভেলী – আমার কাছে যেন গুপ্তধনের খনি