সতিত্বের_কালো_দাগ সূচনা_পর্ব
বাসর রাতে আমার স্বামী, আমার পেটে লা*থি দিয়ে বিছানা থেকে পেলে দেয়।
বাসর রাতে আমার স্বামী, আমার পেটে লা*থি দিয়ে বিছানা থেকে পেলে দেয়।
চিরকুটে লেখা আরিয়ানের প্রশ্ন—তুমি কি আবার আমার স্ত্রী হতে পারো?আরফা উত্তরে কিছুই বলেনি, শুধু চুপ করে হাসছিল।কিন্তু সেই চুপচাপ হাসির মধ্যে ছিল একটা জবাব,একটা আশা,একটা ভাঙা হৃদয়ের ছোট্ট জোড়া লাগানো চেষ্টা।
আরফা জানালা দিয়ে তাকিয়ে আছেন। বৃষ্টি থেমেছে, শহর যেন ক্লান্ত নিঃশ্বাস ফেলছে। তাঁর মনে হচ্ছে, আমি আর ভাঙবো না। আমি শুধু জিতবো…
আরফা ঘুম থেকে উঠে দেখে বাড়ির সামনে একটা লম্বা কালো গাড়ি দাঁড়িয়ে।গাড়ি থেকে নেমে একজন পরিচিত মুখ, নাহিদা রহমান।কিন্তু আজ তার চোখে ভয়ের ছাপ।
রুবিনা ম্যামের দেওয়া প্রজেক্টে আরফা দুর্দান্ত পারফর্ম করছে।হিসেবপত্র, লোক ম্যানেজমেন্ট, রিপোর্ট—সব কিছুই নির্ভুল।সবাই মুখে মুখে বলে,ওই মেয়ে কাজে দারুণ! এত স্মার্ট!
সকালটা আজ একটু আলাদা। হয়তো কারণ আমি জানি,আজ আমি কলেজে ভর্তি হতে যাচ্ছি।ভেতরে ভেতরে ভয় করছে, কিন্তু আশাও টগবগ করছে
রাত তখন তিনটা। সবাই ঘুমিয়ে, পুরো বাড়িতে নিস্তব্ধতা। আমি রান্নাঘরে বসে আছি, একটা পুরনো ডায়েরি খুলে। মা মারা যাওয়ার আগে তার শেষ চিঠিগুলোর একটা এটা।
আমার শাশুড়ি মা*রা যাওয়ার কিছু দিন পর, আমার স্বামী আমাকে ডিভোর্স দেয়।
ঢাকার ব্যস্ত রাস্তায় প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলে যায়, কিন্তু তাদের ভিড়ের মধ্যেও কিছু ভালোবাসা হারিয়ে না গিয়ে উল্টো নতুন করে জন্ম নেয়।
আদিরা মেয়েটা সারাদিন আমার কাছেকাছে থাকলো। কোনো কারন ছাড়াই এসে জড়িয়ে ধরলো, কাঁদলো আবার হাসলো। আমি না চাইতেই সে চা নিয়ে আসলো। কেনো জানি মনে হচ্ছিলো কালকে কিছু খারাপ হতে চলেছে।