আমি এখন বড় নায়িকা পর্ব – ৪
আমি বললাম আমার বাবা অসুস্থ এই মুহূর্তে পাঁচ হাজার টাকা দরকার অনেক রিকোয়েস্ট করার পর আমার রুমমেট টাকাা দিতে রাজি হল ।
আমি বললাম আমার বাবা অসুস্থ এই মুহূর্তে পাঁচ হাজার টাকা দরকার অনেক রিকোয়েস্ট করার পর আমার রুমমেট টাকাা দিতে রাজি হল ।
তোমার জন্য একটা সামান্য গিফট নিয়ে আসছি এই ঘড়িটা আমি তোমাকে এখন পরিয়ে দেবো যখন আমার কথা তোমার মনে পড়বে তুমি এই ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে থাকবা
আমি সাথীকে বললাম তুমি কি পা,গল হয়ে গেছো আমার ছোট ভাইকে আমি কেন এসব বলতে যাব ও যদি আমাদের সম্পর্কের কথা জানে
আমি অনেকবার ফোন করার চেষ্টা করেছি কিন্তু ওর কোন খোঁজ খবর পাচ্ছি না । আমার বন্ধুদের আমি জিজ্ঞাসা করলাম বন্ধুরা বলল। ও এখন বড় একটি নায়িকা হয়ে গেছে ।
সালমা আপার যখন দ্বিতীয় বিয়ে হলো তখন তার তিন বছরের ছেলে আবাবিলকে লুকিয়ে রাখতে হয়েছিল। আপা তো কিছুতেই মানতে চাইছিলেন না এটা। বারবার তিনি বলছিলেন,’আমি পারবো না আমার কলিজার টুকরোটাকে এখানে রেখে গিয়ে অন্যের ঘর সংসার করতে!’
মূর্তিটা কিনে বাড়ি আনার পরদিনই তন্বী বাড়ি ছেড়ে চলে গেলো। বলে গেলো, ‘এই বাজে মূর্তিটা যতোদিন বাড়ি থেকে না সরাচ্ছো, আমি বাড়ি ফিরবো না।’ আমিও বললাম, ‘তোমাকে বিয়ে করার পর থেকে আমার একটার পর একটা জিনিস ছাড়তে হচ্ছে।
পুকুরটাও দেখলাম। চারদিকে গাছপালা ঘেরা নির্জন এক পুকুর। সকালের রোদও গাছপাল ভেদ করে পুকুরে আসতে পারছে না। জায়গাটা বেশ নিস্তব্ধ। কোনো পাখির ডাক নাই, পোকার শব্দও নাই। নিজের হার্টবিটের শব্দ মনে হচ্ছিলো নিজেই শুনতে পারছি।
খালামণি থামলেন। চিরকালের হাসিখুশি খালার মুখে এমন ভয়ের গল্প শুনে আমাদেরও ভয়ে ঘাম ছুটে গেছে। খালামণি বললেন, ‘তাড়াতাড়ি সবাই নিচে চলে যা। ঘুমাতে হবে। কালকে তো আবার বৌভাতের অনুষ্ঠান, সকাল সকাল জাগতে হবে।’
আব্বু যদি একটা দিনের জন্যও আগের মতো হয়ে যেতেন, আগের মতো সেই খোলামেলা, হাসিখুশি মানুষটি, তবে হয়তো আমাদের পরিস্থিতিটুকু এতোটা ঘোলাটে হয়ে উঠতো না। আম্মু আব্বুকে বলতেন এই বাড়ির ভূতুড়ে কাহিনী।
মা পরদিন বাবাকে রিমুর কথা বলতে পারলেন না। বাবা শুনতেই চাইলেন না। কেবল চিৎকার করে বলতে লাগলেন, ‘তাহলে তুমি বলতে চাও, আমার মেয়ে পাগল?’