অদৃশ্য_এক_অসুখ_তুমি সূচনা_পর্ব
শহরের বড়লোক বাবার একমাত্র ছেলে আরিয়ান কয়েকদিনের জন্য গ্রামে এসেছে।নেশা, দেহলোভ আর উদ্দাম জীবনে অভ্যস্ত এই ছেলেটা সব সময় মদে ভাসে।
শহরের বড়লোক বাবার একমাত্র ছেলে আরিয়ান কয়েকদিনের জন্য গ্রামে এসেছে।নেশা, দেহলোভ আর উদ্দাম জীবনে অভ্যস্ত এই ছেলেটা সব সময় মদে ভাসে।
ঘড়ির কাঁটা সকাল ৮টা ছুঁইছুঁই।আবির অফিস যাওয়ার জন্য ব্যাগ গোছাচ্ছে, আর মিথিলা এক কাপ চা নিয়ে তার সামনে দাঁড়িয়ে।চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে হঠাৎ মিথিলা বলল, তুমি আমাকে না ভালোবাসলে কি হতো?
বৃহস্পতিবারের সকাল।আজ অফিসে একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রেজেন্টেশন। মূলত আবির রহমান নিজে উপস্থিত থাকবেন, এবং ক্লায়েন্টদের সামনে নতুন একটি পরিকল্পনার খসড়া তুলে ধরা হবে
রাত তখন প্রায় তিনটা।ঘরের সবকিছু অন্ধকার, নিঃস্তব্ধ, শুধু ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দটা শোনা যাচ্ছে।আমি চুপচাপ বিছানায় শুয়ে, তাকিয়ে আছি সিলিংয়ের দিকে।
বাসর রাতে আমার স্বামী, আমার পেটে লা*থি দিয়ে বিছানা থেকে পেলে দেয়।
চিরকুটে লেখা আরিয়ানের প্রশ্ন—তুমি কি আবার আমার স্ত্রী হতে পারো?আরফা উত্তরে কিছুই বলেনি, শুধু চুপ করে হাসছিল।কিন্তু সেই চুপচাপ হাসির মধ্যে ছিল একটা জবাব,একটা আশা,একটা ভাঙা হৃদয়ের ছোট্ট জোড়া লাগানো চেষ্টা।
আরফা জানালা দিয়ে তাকিয়ে আছেন। বৃষ্টি থেমেছে, শহর যেন ক্লান্ত নিঃশ্বাস ফেলছে। তাঁর মনে হচ্ছে, আমি আর ভাঙবো না। আমি শুধু জিতবো…
আরফা ঘুম থেকে উঠে দেখে বাড়ির সামনে একটা লম্বা কালো গাড়ি দাঁড়িয়ে।গাড়ি থেকে নেমে একজন পরিচিত মুখ, নাহিদা রহমান।কিন্তু আজ তার চোখে ভয়ের ছাপ।
রুবিনা ম্যামের দেওয়া প্রজেক্টে আরফা দুর্দান্ত পারফর্ম করছে।হিসেবপত্র, লোক ম্যানেজমেন্ট, রিপোর্ট—সব কিছুই নির্ভুল।সবাই মুখে মুখে বলে,ওই মেয়ে কাজে দারুণ! এত স্মার্ট!
সকালটা আজ একটু আলাদা। হয়তো কারণ আমি জানি,আজ আমি কলেজে ভর্তি হতে যাচ্ছি।ভেতরে ভেতরে ভয় করছে, কিন্তু আশাও টগবগ করছে