হ্যাকার_গ্রালফ্রেন্ড পর্ব: ০৬+০৭+০৮
বাবা: ওনি হচ্ছে,, আচ্ছা তুমি কি ওনাকে কিছু বলেছো? আকাশ: বলেছি বলতে, ওনি অনেক প্রশ্ন করলো। আমি উওর দিলাম। আবার আমি প্রশ্ন করলাম, ওনি উওর দিলো। এভাবে কথা বলছিলাম আমরা অনেক্ক্ষণ ধরে।
বাবা: ওনি হচ্ছে,, আচ্ছা তুমি কি ওনাকে কিছু বলেছো? আকাশ: বলেছি বলতে, ওনি অনেক প্রশ্ন করলো। আমি উওর দিলাম। আবার আমি প্রশ্ন করলাম, ওনি উওর দিলো। এভাবে কথা বলছিলাম আমরা অনেক্ক্ষণ ধরে।
এতে আকাশ লজ্জা পেয়ে নিজের রুমে চলে আসে। কেনো না এই প্রথম আকাশ অপরিচিত কোন মেয়ের হাতে কিছু খেলো। এই দিকে আকাশের এভাবে লজ্জা দেখে ইরা আর ঈশা তো হাঁসতে হাঁসতে শেষ৷ এই দিকে ঈশা, ইরাকে নিয়ে ওর রুমে আসে।
ওই ভয়েসটা ছিলো নীলাশার৷ নীলাশা রাতে কল দিয়ে যা যা বলেছিলো, এখন সেইম সে ভয়েসটা গ্রীপ্ট এর ভিতর থেকে আসতেছে৷ পুরো ভয়েস শুনার পরে, ঈশা কি আর লজ্জা পাবে, ঈশার চেয়ে বেশি লজ্জা আকাশ নিজেই ফেয়েছে।
রাত ১২:০১ মিনিটে অপরিচিত একটা নাম্বার থেকে কল আসে৷ ঘুম ঘুম কষ্ঠে ফোনটা রিসিভ করে,,,
প্রতিদিন সকালে গ্রামের পুরনো পাকা রাস্তা দিয়ে একটা সাইকেল ধীরে ধীরে চলে যায়। তার গায়ে কালচে পাঞ্জাবি, চোখে ঘোলা চশমা, পিঠে ধূসর এক খালি ব্যাগ।
গ্রামের একেবারে শেষ মাথায় মাটির ছোট্ট একটা ঘরে বাস করেন রহিম মিয়া। বয়স ত্রিশের কোঠায়, পেশায় দিনমজুর
বাংলাদেশের উত্তরে ছোট্ট একটি গ্রাম, মাটিডাঙ্গা। সারা বিশ্বে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে, যে ছোঁয়ার বাদ যায়নি বাংলার কোনো গ্রাম।
বাইরে বৃষ্টি পড়ছে। না, ঝুম নয়, টুপটাপ মাটিতে, পাতায়, টিনের চালায় নেমে আসছিলো এক ধরনের শান্তি হয়ে
আমরা মা ছেলের ছোট পরিবার। বাপের পরনারী আসক্তির কারণে আমি যখন টুতে পড়ি তখন রাগ করে আম্মা আমাকে সাথে নিয়ে ঢাকায় চলে আসেন। বাংলা সিনামার শাবানার মতো সেলাই মেশিন চালায়ে উনি আমাকে বড় করেছেন।