কনে_বদল পর্ব০৫
‘সাইমুম শর্তের কথা বলে আমার মুখ থেকে কচস্টেপ খুলে দেয়।আর তখন আমার শরীরে ছিল প্রবল যন্ত্রণা।না চাইতেও মুখ থেকে তখন কান্না বেরিয়ে আসে। সেই কান্না অনেকটা ছড়িয়ে যায়
‘সাইমুম শর্তের কথা বলে আমার মুখ থেকে কচস্টেপ খুলে দেয়।আর তখন আমার শরীরে ছিল প্রবল যন্ত্রণা।না চাইতেও মুখ থেকে তখন কান্না বেরিয়ে আসে। সেই কান্না অনেকটা ছড়িয়ে যায়
রাত এগারোটা বাজলে সাইমুম এলো।আজ একেবারেই সে শান্ত। ঠোঁটে মিষ্টি হাসি লেগে আছে। সে এসেই ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিলো।
শাশুড়ি মার কাছে সব বলতে গিয়েও বলতে পারি না। সাইমুম হুট করে ঘরে আসে। দূর থেকে ইশারায় বোঝায় আমি মুখ খুললে ও ভয়াবহ কিছু একটা করে বসবে!
রাত শেষ হওয়ার আগেই সাইমুম আমার কাছে এলো। এসে বললো,’তুমি কী ভেবেছো সকাল বেলা আমার মার কাছে সব বলে দিবে?’
ঘরটা ফুল দিয়ে সাজানো।এর নাম বাসর ঘর।আজ আমার সুখের দিন।সারা জীবনের সবচেয়ে সুন্দর দিন এটি। কিন্তু আমায় অবাক করে দিয়ে এই দিনটিকে নরক করে দিল আমার বর সাইমুম।
ছোটবেলা থেকেই আমার ভয়ডর কম। ঘোর অমাবস্যায় শ্যাওড়া গাছের নিচে বসে রাত কাটিয়েছি, ভূতুড়ে পোড়ো বাড়িতে কাঁথা বালিশ নিয়ে দু’তিন রাত ঘুমিয়ে এসেছি, যেই সেতুর নিচে জলদানো আছে বলে মাছ ধরা মানা, গভীর রাতে সেখানে গিয়ে জাল ফেলে ঝাঁকে ঝাঁকে মাছ তুলে নিয়ে এসেছি
মা, রাতের বেলায় নানু গান শোনায় কেন?’ আমার ছোট ছেলেটার বয়স তিন। তিন বছর হলেও বেশ গুছিয়ে কথা বলতে পারে। একবছর বয়স থেকেই ও পটপট করে কথা বলতো, এই তিনবছর বয়সে তো কথা বলায় এক্সপার্ট হয়ে গেছে। কিন্তু কথা বলায় এক্সপার্ট হলে কি হবে, ও খুব দুষ্টু
সুমন একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললো, ‘বাথরুমে ছিলাম ভাই।’ ‘বাথরুমে যাওয়ার পর একবারও রুমে আসোনি?’ ‘নাতো ভাই। মাত্রই তো আমি রুমে ঢুকলাম।’
বাবুলের বোনের বিয়েতে গিয়ে যে ভয়ঙ্কর ঘটনাগুলো ঘটেছিলো আমাদের সাথে, সেগুলো আজকে বলবো। তার আগে বলে নেই, বাবুল নামটা ছদ্মনাম, ওর আসল নামে গল্পটা বলার পারমিশন পাই নি।
বাংলোটা চট্টগ্রাম আর বান্দরবানের মাঝামাঝি এক টিলার ওপর। আমার এক বন্ধুর পরিচিত বড় ভাইয়ের বাবার কেনা বাংলো, খুব রিসেন্টলি কিনেছেন। তারা নিজেরাই এখনও একরাত থাকেননি।