জুজুবুড়ি ২য় পর্ব
মা পরদিন বাবাকে রিমুর কথা বলতে পারলেন না। বাবা শুনতেই চাইলেন না। কেবল চিৎকার করে বলতে লাগলেন, ‘তাহলে তুমি বলতে চাও, আমার মেয়ে পাগল?’
মা পরদিন বাবাকে রিমুর কথা বলতে পারলেন না। বাবা শুনতেই চাইলেন না। কেবল চিৎকার করে বলতে লাগলেন, ‘তাহলে তুমি বলতে চাও, আমার মেয়ে পাগল?’
সেইরাতে কেমন হাসির শব্দে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। দেখি, রিমু ঘুমের মধ্যে হাসছে। চারদিক নীরব, নিস্তব্ধ, অন্ধকার, এর মাঝে একটা বাচ্চার হাসি যে কি পরিমাণ ভয়ংকর হতে পারে, আমি বোঝাতে পারবো না। রিমু আগে কখনো এমন করেনি।তাড়াতাড়ি ওকে ঘুম থেকে জাগিয়ে বললাম, ‘তুই হাসছিস
আমার একবার এমন হয়েছিলো। আমি তখন বেশ ছোট, ক্লাস ফোর কি ফাইভে পড়ি। ২০০৬ কি ২০০৭ সালের ঘটনা। সেদিন আমাদের বাসায় একটা বাজে ঘটনা ঘটেছিলো। আমাদের বিল্ডিংয়ের নিচের তলার এক আপু সুই*সাইড করেছিলেন।
“মাশাআল্লাহ বলার বালাই নাই, খালি সুন্দর সুন্দর করতেছে! ফাজিল মেয়েছেলে!” শায়লার পাশে দাঁড়ানো মধ্যবয়সী এক মহিলা বিরক্ত মুখে বিড়বিড় করল।
প্রতিরাতে লোকটাকে আমি আমার বিছানার পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি। স্বপ্নে। লোকটাকে আমি চিনতে পারি না, অন্ধকারে ঢাকা পড়ে থাকে তার চেহারা। কিন্তু তবুও বুঝতে পারি, সে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে আমার দিকে
আমার কথা শেষ হওয়ার আগেই সেই হাসিটা শোনা গেল! সেই রক্ত হিম করা, তীক্ষ্ণ ঝংকার তোলা অট্টহাসি! ঠিক মাঝখান থেকে! সবাই চমকে চিৎকার করে ওঠে। কণিকা আমাকে খামচে ধরে!
দরজার দিকে দৌড়ে গেল মিলি। দরজা খোলার চেষ্টা করলো, কিন্তু খুললো না দরজা। এসময়ই ওর পিছে কেমন একটা অদ্ভুত ভয়ঙকর গর্জন শুনতে পেলো। ভয়ে ভয়ে পেছনে তাকালো ও।
শফিকের কেমন অদ্ভুত অনুভুতি হচ্ছিল। এই পাথরের শো পিস তার কাছে শায়লাকে ফিরিয়ে আনবে ভাবতেই তার অবিশ্বাস্য লাগছে। লোকটা তাকে বোকা পেয়ে ভুংভাং বুঝিয়ে চলে গেল না তো? কিন্তু লোকটার স্বার্থ কি? টাকা পয়সা তো নিলনা কিছু
শফিক আত্মহত্যা করতে হাতিরঝিল এসেছে। সন্ধ্যা নাগাদ কাজ শেষ হয়ে যাবে ভেবেছিল কিন্তু সুবিধা করা যাচ্ছে না তেমন।
প্রতিবেশীর কথায় সেদিন একটু অবাক হয়েছিলাম।মহিলাটি দেখতে সুন্দর হলেও তার জিহ্বা কদাকার কালো। আমার শয়নকক্ষের বাতায়ন খুলে তাকালেই মহিলাটির বেলকনি দেখতে পাওয়া যায়। অথচ আসার পর থেকেই দেখছি তার বাড়ির প্রতিটি দরজা জানালা বন্ধ।