সব_হারিয়ে_যদি_পাই_তোমায় পর্ব:০৩
সকালটা আজ একটু আলাদা। হয়তো কারণ আমি জানি,আজ আমি কলেজে ভর্তি হতে যাচ্ছি।ভেতরে ভেতরে ভয় করছে, কিন্তু আশাও টগবগ করছে
সকালটা আজ একটু আলাদা। হয়তো কারণ আমি জানি,আজ আমি কলেজে ভর্তি হতে যাচ্ছি।ভেতরে ভেতরে ভয় করছে, কিন্তু আশাও টগবগ করছে
রাত তখন তিনটা। সবাই ঘুমিয়ে, পুরো বাড়িতে নিস্তব্ধতা। আমি রান্নাঘরে বসে আছি, একটা পুরনো ডায়েরি খুলে। মা মারা যাওয়ার আগে তার শেষ চিঠিগুলোর একটা এটা।
আমার শাশুড়ি মা*রা যাওয়ার কিছু দিন পর, আমার স্বামী আমাকে ডিভোর্স দেয়।
ঢাকার ব্যস্ত রাস্তায় প্রতিদিন হাজারো মানুষ চলে যায়, কিন্তু তাদের ভিড়ের মধ্যেও কিছু ভালোবাসা হারিয়ে না গিয়ে উল্টো নতুন করে জন্ম নেয়।
দিয়াসা পাশের ওই শব্দ হওয়া রুমে যা ওই রুমটা আমারই ছিলো,ওখানে একটা আইনা আছে ওই আইনাটার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবি তখন ভয় কি তুই জানতে পারবি”
রাত তখন প্রায় দুটো। শহর জুড়েই পিনপতন নীরবতা, যেন এক অতলান্ত ঘুমে ঢলে পড়েছে সমগ্র জনপদ। শুধু ঝিঁঝিঁ পোকার অবিরাম একঘেয়ে ডাক আর দক্ষিণ খোলা জানলা দিয়ে ভেসে আসা ভেজা মাটির সোঁদা গন্ধটা জানান দিচ্ছিলো যে কিছুক্ষণ আগেই এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে।
দার্জিলিং-এর মাথায় মেঘের চাদর সরিয়ে যখন শতাব্দী প্রাচীন ‘মেঘমহল’ তার ধূসর অবয়ব মেলে ধরল, স্থপতি ইশানী রায়ের শিরদাঁড়া দিয়ে একটা শীতল স্রোত বয়ে গেল। এই গথিক স্থাপত্যের রহস্যময়তা আর ইতিহাসের ভার তাকে যতটা টানছিল, তার চেয়েও বেশি ছিল এক অজানা আতঙ্ক
সময়ের আঘাতে জীর্ণ হয়ে যাওয়া স্থাপত্য আর তার বুকে জেগে থাকা প্রকৃতির ধীর, নিঃশব্দ জয়। স্থানীয়দের কাছে ‘শিকদার মঞ্জিল’ নামে পরিচিত এই পোড়ো বাড়িটা ছিল তার সেই সিরিজের নিখুঁত বিষয়।
কাঠের সিঁড়ি বেয়ে উঠে একপাশে টিনের ছাঁদে ঢাকা বারান্দা, অন্যদিকে ঘর — ভিতরে একটা খাট, কাঠের আলমারি, এক কোণে ধুলোপড়া ট্রাঙ্ক, আর উত্তর দেওয়ালে টাঙানো একখানা প্রাচীন দেয়ালঘড়ি।
কিন্তু সেই রাতে সেখানে দাঁড়িয়ে ছিল এক লোক — নির্মল ঘোষ, বয়স আনুমানিক পঁয়তাল্লিশ। চোখে ক্লান্তি, মুখে বিষাদ। কাঁধে ব্যাগ, হাতে একটা পুরনো রেল টিকিট