চুক্তির ছায়া
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার কোন এক গ্রামের এক সাধারণ পরিবার। বাবা নেই, মা আর তিন ভাইবোন মিলে কোনো রকমে সংসার চলে। বড় বোন, নাম তার শিমু, পড়াশোনার প্রতি বরাবরই সিরিয়াস।
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার কোন এক গ্রামের এক সাধারণ পরিবার। বাবা নেই, মা আর তিন ভাইবোন মিলে কোনো রকমে সংসার চলে। বড় বোন, নাম তার শিমু, পড়াশোনার প্রতি বরাবরই সিরিয়াস।
ভাগ্যাকাশের ধ্রুবতারা লেখক: জাহান যে নক্ষত্রটি রাতের আকাশে স্থির থাকে, হাজার তারার ভিড়ে থেকেও যার আলোকছায়া আমাদের নির্ভুল পথ দেখায়—সে-ই তো ধ্রুবতারা। তেমনই কেউ কেউ জীবনে আসে, যার উপস্থিতি হয় অচল সময়ের ভেতর এক চিরন্তন দ্যুতি। অথচ ভাগ্য-আকাশের খেয়ালি ছায়ায় সেই ধ্রুবতারাও কখনো কখনো হারিয়ে যায় — নিঃশব্দে, নিঃশেষে। ‘ভাগ্যাকাশের ধ্রুবতারা’ কেবল একটি প্রেমকাহিনি নয়, এটি এক আত্মিক যাত্রার প্রতিচ্ছবি — যেখানে হৃদয়ের উত্তাপ, সমাজের সীমারেখা, মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব, এবং নিষিদ্ধ ভালবাসার আভাস একসাথে মিলে সৃষ্টি করেছে এক টানটান আবহ। এখানে প্রেম আছে, কিন্তু সুখময় পরিণতি নেই। এখানে আছে সমাজের বাঁধন, পরিবার নামের অব্যক্ত শেকল, আত্মপরিচয়ের লড়াই, এবং নিঃশব্দ আত্মত্যাগ। প্রতিটি চরিত্র যেন এক একটি আয়না—পাঠক তাদের মাঝে খুঁজে পাবেন নিজের চাপা কান্না, গোপন আকাঙ্ক্ষা, বা হারানো কোনো স্মৃতির মৃদু নাড়া।
ভাগ্যাকাশের ধ্রুবতারা লেখক: জাহান যে নক্ষত্রটি রাতের আকাশে স্থির থাকে, হাজার তারার ভিড়ে থেকেও যার আলোকছায়া আমাদের নির্ভুল পথ দেখায়—সে-ই তো ধ্রুবতারা। তেমনই কেউ কেউ জীবনে আসে, যার উপস্থিতি হয় অচল সময়ের ভেতর এক চিরন্তন দ্যুতি। অথচ ভাগ্য-আকাশের খেয়ালি ছায়ায় সেই ধ্রুবতারাও কখনো কখনো হারিয়ে যায় — নিঃশব্দে, নিঃশেষে। ‘ভাগ্যাকাশের ধ্রুবতারা’ কেবল একটি প্রেমকাহিনি নয়, এটি এক আত্মিক যাত্রার প্রতিচ্ছবি — যেখানে হৃদয়ের উত্তাপ, সমাজের সীমারেখা, মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব, এবং নিষিদ্ধ ভালবাসার আভাস একসাথে মিলে সৃষ্টি করেছে এক টানটান আবহ। এখানে প্রেম আছে, কিন্তু সুখময় পরিণতি নেই। এখানে আছে সমাজের বাঁধন, পরিবার নামের অব্যক্ত শেকল, আত্মপরিচয়ের লড়াই, এবং নিঃশব্দ আত্মত্যাগ। প্রতিটি চরিত্র যেন এক একটি আয়না—পাঠক তাদের মাঝে খুঁজে পাবেন নিজের চাপা কান্না, গোপন আকাঙ্ক্ষা, বা হারানো কোনো স্মৃতির মৃদু নাড়া।
ভাগ্যাকাশের ধ্রুবতারা লেখক: জাহান যে নক্ষত্রটি রাতের আকাশে স্থির থাকে, হাজার তারার ভিড়ে থেকেও যার আলোকছায়া আমাদের নির্ভুল পথ দেখায়—সে-ই তো ধ্রুবতারা। তেমনই কেউ কেউ জীবনে আসে, যার উপস্থিতি হয় অচল সময়ের ভেতর এক চিরন্তন দ্যুতি। অথচ ভাগ্য-আকাশের খেয়ালি ছায়ায় সেই ধ্রুবতারাও কখনো কখনো হারিয়ে যায় — নিঃশব্দে, নিঃশেষে। ‘ভাগ্যাকাশের ধ্রুবতারা’ কেবল একটি প্রেমকাহিনি নয়, এটি এক আত্মিক যাত্রার প্রতিচ্ছবি — যেখানে হৃদয়ের উত্তাপ, সমাজের সীমারেখা, মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব, এবং নিষিদ্ধ ভালবাসার আভাস একসাথে মিলে সৃষ্টি করেছে এক টানটান আবহ। এখানে প্রেম আছে, কিন্তু সুখময় পরিণতি নেই। এখানে আছে সমাজের বাঁধন, পরিবার নামের অব্যক্ত শেকল, আত্মপরিচয়ের লড়াই, এবং নিঃশব্দ আত্মত্যাগ। প্রতিটি চরিত্র যেন এক একটি আয়না—পাঠক তাদের মাঝে খুঁজে পাবেন নিজের চাপা কান্না, গোপন আকাঙ্ক্ষা, বা হারানো কোনো স্মৃতির মৃদু নাড়া।
আব্বু: তোর এই আবদার আমি মেনে নিতাম, কিন্তু তুই আমাকে পুলিশের ভয় দেখাছ, ( রেগে)
ববি: কিন্তু আঙ্কেল আমি তো যেতে পারি কলেজে। আব্বু: তুমি কলেজে এসে, কি কি পড়া দিচ্ছে, তা ইরাকে জানিয়ে দিও। ববি: ঠিক আছে আঙ্কেল।
তার আগেই ইরাকে জড়িয়ে ধরে, ইরা অনেক চেষ্টা করেও ছাড়াতে পারে নি। আকাশের শরিল ভেজা ছিলো বলে, ইরার শরিল ও ভিজে গেলো। কিছুক্ষণ পরে চেড়ে দেয়।
সাথী: আমি কিছুই বলি নি৷ ইরা: আরেহ ভাবি আমাকে বলতে দাও
স্যার: তোমাদের অপরাদ হলো, তোমরা লেট করে ক্লাসে এসেছো৷ তাছাড়া তোমরা কি জানো না, আমার ক্লাসে লেট করে আসাটা আমি একদম পছন্দ করি না। তার পরেও লেট করে কেনো এলে? (রেগে)
ইরা: আমি তোমার এই অভাগা সংস্যার করবো না। ( চেচিয়ে) আকাশ: এরকমটা করো না ইরা। আমি যে তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না। ( কেদে)